ঢাকা বুধবার, আগস্ট ২১, ২০১৯

বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের পরাজয়ের রহস্য ফাঁস!


|| প্রকাশিত: 8:09 pm , August 6, 2019

বিশ্বকাপে বরাবরই ভারত থেকে পিছিয়ে পাকিস্তান। সবশেষ সাতবারের সাক্ষাতে একক আধিপত্য বিস্তার করে জয় পায় ভারত। ২০০৩ সালের বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের পরজায়ের রহস্য ফাঁস করলেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি পেসার শোয়েব আখতার।

সম্প্রতি নিজের ইউটিউব চ্যানেলে ‘রাওয়ালপিণ্ডি এক্সপ্রেস’ খ্যাত গতির দানব শোয়েব আখতার বলেন, ২০০৩ সালের বিশ্বকাপের ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ ছিল আমার ক্রিকেট কেরিয়ারের সবচেয়ে হতাশাজনক ম্যাচ। আমরা ২৭৩ রান করেও ওইদিন ভারতকে হারাতে পারিনি।

ভারতের বিপক্ষে ওই ম্যাচের আগের দিন রাতে ব্যথা কমার জন্য বাঁ-হাঁটুতে চার-পাঁচটি ইঞ্জেকশন নিয়ে ছিলেন শোয়েক আখতার। এ ব্যাপারে ক্রিকেটের ইতিহাসে সবচেয়ে দ্রুতগতির বোলার বলেন, শোয়েব আখতার বলেন, ইঞ্জেকশনের জন্য বাঁ পায়ের হাঁটুতে পানি জমে গিয়েছিল। আমার হাঁটুতে কোনো অনুভূতিই ছিল না।

শোয়েব আখতার বলেন, আমাদের ইনিংসের শেষে ড্রেসিংরুমে সতীর্থদের বলেছিলাম, আমরা ৩০-৪০ রান কম করেছি। আমার কথা শুনে দলের বাকিরা চেঁচিয়ে উঠেছিল। সবাই বলেছিল, ২৭৩ রানও যদি জেতার জন্য যথেষ্ট না হয়, তাহলে কত রান দরকার। অনেকেই বলেছিল, আমরা ভারতকে আউট করে দিতে পারব। আমি জানতাম পিচ ব্যাটিং সহায়ক। দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যাটসম্যানরা সুবিধা পাবে।

ইউটিউব চ্যানেলে শোয়েব আখতার আরও বলেছেন, আমরা যখন বল করতে নেমেছিলাম, তখন আমার বাঁ পায়ে কোনো অনুভূতিই ছিল না। ঠিকমতো দৌঁড়াতে পারছিলাম না। শচীন টেন্ডুলকার আর বীরেন্দ্রর শেহবাগ শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেছিল। শচীন আমার বল খুব সহজেই খেলে দিচ্ছিল। এমনকি পয়েন্টের উপর দিয়ে ছক্কাও হাঁকিয়েছিল।

শোয়েব আখতার বোলিংয়ে মার খাচ্ছে দেখে অধিনায়ক ওয়াকার ইউনুস তাকে বোলিং আক্রমণ থেকে সরিয়ে নেন। পরে আবার যখন শোয়েবকে আক্রমণে আনেন ওয়াকার। তখন অবশ্য অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল। শোয়েবের একটা দুরন্ত গতির শর্ট বল খেলতে গিয়ে আউট হন শচীন। সেই ম্যাচের প্রসঙ্গ টেনে শোয়েব বলেন, আমি ক্যাপ্টেনকে বলেছিলাম শুরু থেকেই এভাবে আমি বল করতে পারতাম। আমার ফিটনেস ঠিক ছিল না। তাছাড়া অত্যন্ত দুর্বল নেতৃত্বের জন্য ম্যাচটা আমাদের হারতে হয়েছিল।

শোয়েব আখতার আরও বলেন, এটা আমার কাছে তিক্ত অভিজ্ঞতা। ১৯৯৯ ও ২০০৩ সালে আমরা ভারতকে হারিয়ে দিতে পারতাম। কিন্তু, তা আর হয়নি। সেই হার এখনও কষ্ট দেয় আমাকে।

এই বিভাগের আরও খবর
সর্বশেষ