ঢাকা সোমবার, অক্টোবর ১৪, ২০১৯

পেঁয়াজের ঝাঁজ কমাতে মাঠে ১০ কর্মকর্তা


|| প্রকাশিত: 10:37 pm , October 1, 2019

পিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডেস্ক: হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে পেঁয়াজের ঝাঁজ। এর মাঝে আবার ঘি ঢেলেছে ভারত। বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের কারণে দেশে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে দুইগুণের বেশি।

এ অবস্থায় বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ ও মূল্য স্বাভাবিক রাখতে উচ্চ পর্যায়ের ১০জন কর্মকর্তা ১০ জেলায় বাজার মনিটরিং শুরু করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

জেলাগুলো হচ্ছে- কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, ফরিদপুর, রাজবাড়ী, যশোর, দিনাজপুর, পাবনা, সাতক্ষীরা, সিরাজগঞ্জ ও শরীয়তপুর।

মঙ্গলবার (০১ অক্টোবর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, পেঁয়াজ আমদানির ক্ষেত্রে এলসি মার্জিনে সুদের হার হ্রাস, স্থল ও নৌ বন্দরগুলোতে পেঁয়াজ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে খালাস ও বিভিন্ন হাট-বাজারে দ্রুত পরিবহন নির্বিঘ্ন করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

এছাড়া ভোমড়া, সোনা মসজিদ, হিলি এবং বেনাপোল স্থলবন্দরে পেঁয়াজ আমদানি নির্বিঘ্ন করতে সব পদক্ষেপ নিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে প্রতিটি জেলা প্রশাসন থেকেও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

এলসি’র মাধ্যমে মিয়ানমার, মিশর ও তুরস্ক থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ বন্দরে খালাশ করা শুরু হয়েছে। মায়ানমার থেকে বর্ডার ট্রেডের মাধ্যমে টেকনাফ বন্দর দিয়ে আমদানি করা পেঁয়াজ এবং দেশের বিভিন্ন জেলার পাইকারি হাটগুলোতে বিক্রি করা পেঁয়াজ দ্রুত সারাদেশে নির্বিঘ্নে পৌঁছে যাচ্ছে।

এদিকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলছে, দেশে বর্তমানে পেঁয়াজের সরবরাহ স্বাভাবিক অবস্থায় আছে। পেঁয়াজের মূল্য ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) মাধ্যমে ট্রাক সেলে ঢাকা শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে ন্যায্যমূল্যে বিক্রি শুরু করেছে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৬টি ট্রাকের মাধ্যমে প্রতিকেজি ৪৫ টাকা মূল্যে এ পেঁয়াজ বিক্রি হয়। মঙ্গলবার এ ট্রাক সেলের সংখ্যা ৩৫ টিতে উন্নীত করা হয়েছে। এতে ন্যায্য মূল্যে পেঁয়াজ কেনার সুযোগ পাচ্ছেন স্বল্প আয়ের মানুষ।

সরকারি হিসাব মতে, দেশে বছরে মোট পেঁয়াজের চাহিদা প্রায় ২৪ লাখ মেট্রিক টন। এর মধ্যে গত ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে দেশে পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে ২৩.৩০ লাখ মেট্রিক টন।

তবে এর ৩০ শতাংশই স্বাভাবিকভাবে নষ্ট হয়। এর সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বছরে আমদানি হয়ে থাকে ৮ থেকে ১০ লাখ মেট্রিক টন।