ঢাকা সোমবার, মে ২৫, ২০২০

মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি বিবেচনায় পাকিস্তানে টি-টোয়েন্টি খেলার সিদ্ধান্ত


|| প্রকাশিত: 10:54 pm , January 12, 2020

পিনিউজ২৪ ডেস্ক: টেস্ট সিরিজ নয়, পাকিস্তান সফরে আপাতত শুধু টি-টোয়েন্টি খেলার জন্য সবুজ সংকেত মিলেছে সরকারের তরফ থেকে। মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি বিবেচনায় যত কম সময়ে সম্ভব সফর শেষ করার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি)। রবিবার বিসিবির বোর্ড সভার পর সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।

সরকারের তরফ থেকে দেওয়া সেই নির্দেশ মেনেই এখন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সঙ্গে সিরিজ নিয়ে আলোচনা করবে বিসিবি।

নাজমুল হাসান বলেন, ‘পাকিস্তান সফর নিয়ে আমরা সিকিউরিটি অ্যাডভাইজ তো নিয়েছি। এরপর যে কোনো সফরের আগে সরকারের জিও লাগে। সেটার জন্য আমরা আবেদন করেছিলাম। আমরা সফরের পুরো সিরিজের (টি-টোয়েন্টি ও টেস্ট) শিডিউল দিয়েছিলাম। এখন পর্যন্ত কাগজটা আমাদের হাতে পৌঁছায়নি। কিন্তু আমরা সেই কাগজের স্ক্রিন শট পেয়েছি, যে কি আছে।’

‘এখানে যেটা আসছে তারা বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যে এখন যে পরিস্থিতি, এটা যে কোনো সময়ের চেয়ে আলাদা।… যত সংক্ষিপ্ত করা সম্ভব সেটা করার কথাই তারা বলেছে। শুধু তাই না। যেহেতু টি-টোয়েন্টি প্রথমে ছিল। তারা বলেছে শুধু টি-টোয়েন্টি তিনটি যত সংক্ষিপ্ত সময়ে সম্ভব খেলে চলে আসতে। পরে পরিস্থিতি উন্নয়ন হলে টেস্ট খেলা যাবে।’

এফটিপি অনুযায়ী এ মাসেই তিনটি টি-টোয়েন্টি ও টেস্ট খেলতে পাকিস্তান সফর করার কথা বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের। কিন্তু নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে পিসিবিকে প্রথমে শুধুমাত্র টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলার প্রস্তাব দিয়েছিল বিসিবি। পরে সুবিধামতো সময়ে টেস্ট খেলতে চেয়েছিল।

যতটা সম্ভব কম সময়ে সফর শেষ করাই লক্ষ্য ছিল বিসিবির। কিন্তু পিসিবি পূর্ণাঙ্গ সিরিজ আয়োজনে ছিল অনড়। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বেশ টানাপোড়েনই চলছিল বলা চলে।

সবশেষ পিসিবির পক্ষ থেকে বিসিবিকে প্রস্তাব দেওয়া হয়, সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য হলে আপাতত শুধু টেস্ট সিরিজ খেলতে। যা নিয়ে এদিনের বোর্ড সভায় সিদ্ধান্ত হবে বলেই আলোচনা চলছিল।

তবে সেই সিদ্ধান্ত আগের মতোই থাকছে। অর্থাৎ বিসিবি নিজেদের পুরোনো সিদ্ধান্তের পক্ষেই থাকছে।

তবে নাজমুল হাসান পাপন বলেছেন, ‘আগে যখন বলেছিলাম তখনকার পরিস্থিতি আর এখনকার পরিস্থিতি কিন্তু এক নয়। আমাদের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফদের সঙ্গে কথা বলে আগের সিদ্ধান্ত ছিল। ওরা চাচ্ছিল একটা সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে শেষ (সফর) করতে। টানা অনেক দিন ওখানে থাকতে চাচ্ছিল না। কিন্তু এখন সেই কারণে না। এখন মধ্যপ্রাচ্যে যে পরিস্থিতি আছে, সেই পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে সরকার প্রস্তাব দিয়েছে।’