ঢাকা সোমবার, জুন ১৪, ২০২১

ফয়েজ আহমেদ রেজা‘র টেলিছবি বান্দাল’র সুটিং সম্পন্ন


|| প্রকাশিত: 4:51 pm , January 18, 2021

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন লোকেশনে বেশ কয়েকদিন পূর্বে টেলিছবি ‘বান্দাল’র সুটিং সম্পন্ন হয়েছে। ‍

মুস্তাফিজুর রানার প্রযোজনায় নির্মিত ‍বান্দালের পরিচালনায় রয়েছেন গুণী নির্মাতা ফয়েজ আহমেদ রেজা। এই টেলিছবি রচনা করেছেন আব্দুল্লাহ জহির বাবু।

এতে অভিনয় করেছেন, কেয়া পায়েল, এ্যালেন শুভ্র, সিয়াম নাসের, মারিয়া, শিল্পী সরকার অপু, মাহমুদুল মিঠু, ইকবাল, সুজন সাহেদ প্রমূখ।

এ গল্পে এ্যলেন শুভ্রকে তারেক ও কেয়া পায়েলকে সেজিন চরিত্রে দেখা যাবে।

‍এই টেলিছবিতে দেখা যাবে বেডরুমের ভিতরে একজন চল্লিশার্ধো মহিলা আলমারি খুলে তার ভিতরে কিছু করছে। পিছনে তার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে একটা ছায়ামূর্তি। মহিলা লক্ষ করছে না। দুই হাতে গামছা নিয়ে মহিলার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে ছায়ামূর্তি। হঠাৎ করেই পিছন থেকে গলায় গামছা পেচিয়ে ধরে হত্যাকারী। মহিলা নিজেকে বাচানোর চেষ্টা করতে থাকে কিন্তু কিছুক্ষন পরে মহিলা নিস্তেজ হয়ে পরে। গামছা খুলে ফেলে আততায়ী। মহিলার লাশ পরে পাশের বিছানার উপর….. এ স্বপ্নটা দেখে প্রায়ই ঘুম ভাংগে তারেকের। স্বপ্নে দেখা খুনি কিং খুনি হওয়া মহিলা কাউকে চিনতে পারে না তারেক তবে চেনা চেনা লাগে।

তারেক পড়াশোনার জন্য ঢাকায় পাপ্পুকে নিয়ে ফ্ল্যাট বাসায় ভাড়া থাকে। তার বাবা রশিদ কন্ট্রাক্টর থাকেন মোহনগজ্ঞের মেইন শহরে। সেখানে চারতলা বাড়ি চকচইক্কা গাড়ি সব কিছুই আছে তার।
অন্যদিকে সেজিনও পড়াশোনার জন্য ঢাকায় রুম শেয়ার করে থাকছে সামান্থাকে নিয়ে।

তারেকের রুমমেইট পাপ্পু নিজের ছবির বদল তারেকের ছবি দিয়ে ফেইসবুক একাউন্ট খোলে।
সেজিনের রুমমেট সামান্থা নিজের ছবির বদলে সেজিনের ছবি দিয়ে ফেইসবুক একাউন্ট খোলে।

পাপ্পু সেজিনের ছবি দেখে প্রেমে পড়ে অন্যদিকে সামান্থা তারেকের ছবি দেখে প্রেমে পড়ে। অথচ তারেক সেজিন জানে না তাদের ছবি ব্যবহার করে প্রেম করছে ওরা।

রেস্টুরেন্টে প্রথম দেখা করতে যাওয়া নিয়ে বাধে হট্রগোল। পরিশেষে নিরুপায় হয়ে পাপ্পু তারেককে ছবি ব্যবহার করে প্রেম করার বিষয়টি শেয়ার করে। শুনে প্রথমে তারেক রেগে যায় কিন্তু পরে পাপ্পুর রিকোয়েস্টে সেজিনের সাথে রেস্টুরেন্টে দেখা করতে রাজি হয়।

পাপ্পু ইতিমধ্যে ১৮ বার ছ্যকা খেয়েছে তাই ১৯ নাম্বার প্রেম করার জন্য নিজের ছবি দিয়ে রিস্ক নেয় নি । অন্যদিকে সামান্থার এক্স বয় ফ্রেন্ড বার বার তার একাউন্ট হ্যাক করে তাই নিরুপায় হয়ে সেজিনের ছবি দিয়ে ফেইজবুক একাউন্ট খুলেছিলো সে।

এসব কথা শুনে তারেক ও সেজিন রেস্টুরেন্টে হাসে। এভাবেই তারেক সেজিনের পরিচয়। সেই থেকে শুরু। সেজিনকে অসহায় হতদরিদ্র মানুষের জন্য কিছুনা কিছু করবার নিরলস প্রচেষ্টা করতে দেখে তরেকের ভিষন ভালো লাগে। ঘটনা ক্রমে জানতে পারে ওরা একই গ্রামের। সেজিনের বাবা আহসান মাস্টার কে চিনতে পারে তারেক।ধীরে ধীরে দুজনের সখ্যতা গড়ে উঠে। এভাবেই এগিয়ে চলে…. গল্প।

হঠাৎ একদিন রাস্তায় সেজিনের গ্রামের সালমা চাচীর দেখা পায়। গ্রামের এত বড় গৃহস্থ রাস্তার অচেনা মানুষদের কাছে হাত পাততে দেখে অবাক হয় সেজিন। ক্লান্ত দেহে সালমা বেগম সেজিনকে পেয়ে জ্ঞান হারায়। সেদিন সালমা চাচীকে বাসায় নিয়ে আসে সেজিন।

পরিচয়ে তারেক একই গ্রামের শুনে খুশি হয় সালমা কিন্তু রশিদ কন্ট্রাক্টর এর ছেলে শুনেই রেগে যায় সালমা বেগম। নিজ হাতের স্যালাইনের সুই খুলে ফেলে বেড়িয়ে যেতে নেয় সালমা বেগম।

সালমা বেগমের মুখে শুনে আসা বাবার অপকর্মের কথা কোন ভাবেই মানতে পারে না তারেক তাই বাবা রশিদ কন্ট্রাক্টরের কাছে জানতে চায় – রসুলপুরের মানুষের ঢল ঢাকায় কেন? রসুলপুর বাধ নির্মানের দুর্নীতির অভিযোগ তার বিরুদ্ধে কেন? লোকাল থানায় তার বিরুদ্ধে কমপ্লেন করতে গেলে সালমা চাচীর স্বামী আর ঘরে ফিরে নাই কেন?

এ সব প্রশ্নের উত্তর মিলবে টেলিছবি “বান্দাল” এ।

মিলবে তারেকের জীবন অতিষ্ঠ করে দেয়া সেই স্বপ্নটা দেখার কারন।

 

এই টেলিছবিটি শীঘ্রই দেশেরে ‍একটি বেসরকারি টেলিভিশনে প্রচারিত হবে বলে জানিয়েছেন পরিচালক ফয়েজ আহমেদ রেজা।